আবারো খতনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আবারো খতনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সুন্নতে খাতনা মুসলিম দের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কদিন আগেও সুন্নতে খাতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ান নামক এক ছোট বাচ্চার মৃত্যু হয়। এবং সেই কাহিনী নিয়ে পুরো সোশ্যাল মিডিয়ার তোলপাড় হয়। সেই ঘটনাটি ঘটেছিল ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর মালিবাগ অঞ্চলে। সেখানে যে এস ডায়াগনস্ট এন্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারে সুন্নতে খাতনা করতে যায় চতুর্থ শ্রেণীর দশ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিন আয়হাম। এবং সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। স্বজনরা অভিযোগ করে লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেয়ার কথা থাকলেও তার সম্পূর্ণ অ্যানেস্থেসিয়া দেয়া হয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। সে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছে। গত ২০ শে ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে আহনাফে শূন্যতা খাতনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং এর ঘন্টা খানেকের মধ্যেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে যে, মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থপেডিক এবং টমা সার্জন ডক্টর এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খাতনা করাতে নিয়ে যাওয়া হয় অনাফের বাবা ফখরুল আলম খাইরুল নাহার চুমকি তাকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যায়। রাত আটটার দিকে খতনা করানোর জন্য আমি হামকে প্রস্তুত করা হয়। এবং তারপর এন্সথেসিয়া দেয়া হয়। অ্যানেসথেসিয়া দেয়ার পর আর ঘুম ভাঙ্গে না আহনাফের। এবং এর কিছুক্ষণ পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ বিষয়ে আপনার বাবা ফখরুল আলম জানান যে তারা নাকি চিকিৎসককে বলেছিলেন ফুল আনিসথেসিয়া না দিতে কিন্তু চিকিৎসক তার কথা শোনেননি। তিনি আরো বলেন তার সন্তানকে এনেসথেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এবং তিনি এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে দেয়। এবং তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই। এদিকে ওই ঘটনার পর উধাও হয়ে যান ডায়াগনিসট সেন্টারের অভিযুক্ত চিকিৎসক ডাক্তার মুক্তাদীর।
তিনি অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা বাত ব্যথা প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এ। এই বিষয়ে জানার জন্য জিএফ ডায়াগনস্ট এন্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয় তবে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় নি।

এর আগেও এই ঘটনা পুনরাবৃত্তি হয়েছিল আর জানুয়ারি মাসে রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও সুন্নত তে খাতনা করাতে গিয়ে লাইভ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যান সাত দিন ধরে টানা লাইফ সাপোর্টে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশু আয়ান মারা গিয়েছিল।

শিক্ষা, প্রযুক্তি ও দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর জানতে চোখ রাখুন কলেজ টু ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইটে এবং পেজে।

Leave a Comment