কি হচ্ছে বাংলাদেশের মেডিকেলে? এবার টিউমার অপারেশন করতে গিয়ে ঝরে গেল আরো একটি তাজা প্রাণ।

কি হচ্ছে বাংলাদেশের মেডিকেলে? এবার টিউমার অপারেশন করতে গিয়ে ঝরে গেল আরো একটি তাজা প্রাণ।

বাংলাদেশে প্রায়ই ঘটে চলেছে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কখনো সুন্নতে খাতনা করতে গিয়ে বাচ্চারা মারা যাচ্ছেন। কখনো ভুল চিকিৎসায় আরো অনেক তাজা প্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে অকালে। এবার ও আবার ঘটলো অঘটন
বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে গেল আরও একটি তরতাজা প্রাণ।

মেয়েটির নাম সাদিয়া সুলতানা তিথি। বয়স 18 বছর একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তার পেটে সামান্য ব্যথা হয়েছিল। এবং সেই ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার বলেছিল টিউমার হয়েছে। ছোট্ট একটু অপারেশন করলেই ঠিক হয়ে যাবে। তার কথামতো তিথিকে সেদিন নেয়া হয় ডাক্তারের কাছে। এ ব্যাপারে তিথির মা বলেন তিথির পেটে ব্যথা হওয়ার পর তিথিকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ওই দিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বাসায় যায় তারা। বাসায় যাওয়ার পর রাত এগারোটায় আবার পেটে ব্যথা হয় তিথির। তখন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয় তাকে। ৩০ শে জুলাই ইমারজেন্সিতে ভর্তি করা হয় তিথিকে। এবং ডক্টর সিফাত তানজিল এর আন্ডারে ভর্তি করা হয় তাকে। ডাক্তার সম্পূর্ণ রিপোর্ট না দেখেই বলে যে ছোট্ট একটা অপারেশন করতে হবে। এবং সেই মোতাবেক তিথিকে অপারেশন টেবিলে নেয়া হয়।

অপারেশন শেষ করার পর তার মাকে জানানো হয় অপরশন সাকসেসফুল হয়েছে। তারপরের দিন একত্রিশ তারিখে বেডে দেয়া হয় তিথিকে।

বেডে দেয়ার পর চার তারিখে তিথির নাভির পাশ দিয়ে পানি বের হয়। এটা ডাক্তার দেখে বলে খুব সম্ভবত নারী লিক হয়ে গেছে। এবং তারা ট্রিটমেন্ট শুরু করে দেয়। এতে তিথি অনেক কষ্ট পায় এবং চিৎকার করে তার যন্ত্রণা প্রকাশ করে। এতে ডক্টর তাকে অনেক ধমক দেয়। ১৩ তারিখে আবার তিথিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং তারপর ল্যাবে নেয়া যাওয়া হয়। এরপর ডক্টর অশোক কুমার সরকারের আন্ডারে ভর্তি করা হয় এবং তিনি দেখে বলেন রোগীর নারী লিক হয়ে গেছে। এবং তারপরেই তিথি মারা যায়। ডাক্তারের হাতে রোগীর মৃত্যু এমনই অভিযোগ উঠেছে স্বজনদের। সাথে ডাক্তারেরও পাল্টা অভিযোগ।

যতই যুক্তি তর্ক আমরা দেই না কেন এই তাজা প্রাণ গুলো আর ফিরে আসবে না। তাইতো অনেকেই বলছেন বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এই কারণেই সাবধান হোন সবাই।

শিক্ষা প্রযুক্তি ও দেশ বিদেশের নানান রকম খবর পেতে চোখ রাখুন কলেজ টু ইউনিভার্সিটির পেজে।

Leave a Comment