দেশে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ২৪ শতাংশ

দেশে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ২৪ শতাংশ

আমাদের দেশে কিছুদিন আগে শিক্ষা সম্পর্কিত একটি জরিপ করা হয়। এই জরিপে উঠে আসে বাংলাদেশের কত পার্সেন্ট শিক্ষিতোর হার এবং কত পার্সেন্ট নিরক্ষরতার হার রয়েছে।
সেই জরিপ অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার এখন ২৪ শতাংশ। যা উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশ সরকারের নানা উদ্যোগের পরও এখনো দেশের প্রতি চারজনের মধ্যে একজন নিরক্ষর রয়েছেন।গ্রামের চেয়ে শহরে সাক্ষরতার হার বেশি। নিরক্ষতার হার বেশি নারীদের মধ্যে। বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে বরিশাল, পিছিয়ে ময়মনসিংহ। সম্প্রীতি এসব তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২২ (এসভিআরএস)’ জরিপে।

জরিপে দেখা গেছে,প্রতি চারজনে একজন নিরক্ষর। অর্থাৎ পাঁচ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। বাকি ২৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
একজন ব্যক্তি যদি সাধারণভাবে কোনো বাক্য লিখতে পারে, জরিপে তাকে সাক্ষর হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এ বিষয়ে সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান আমাদের সময়কে বলেন, নিরক্ষরতা রোধে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে; অগ্রগতিও হচ্ছে।
জরিপে দেখা গেছে, পাঁচ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। বাকি ২৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি চারজনে একজন নিরক্ষর। একজন ব্যক্তি যদি সাধারণভাবে কোনো বাক্য লিখতে পারে, জরিপে তাকে সাক্ষর হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এ বিষয়ে সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান আমাদের সময়কে বলেন, নিরক্ষরতা রোধে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে; অগ্রগতিও হচ্ছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৫ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ২২ শতাংশ। একই বয়সের নারীদের মধ্যে এই হার ৭৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। বিবিএস বলছে, সাক্ষরতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যক্তির জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও নৈতিক আচরণকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। গ্রাম অঞ্চলে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং শহর অঞ্চলে ৮৪ দশমিক শূন্য

৬ শতাংশ। শহরাঞ্চলে পুরুষদের সাক্ষরতার হার ৮৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশের বেশি। গ্রাম অঞ্চলে এই হার ৭৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। শহরে নারীদের সাক্ষরতার হার ৮২ দশমিক ১৩ শতাংশ, গ্রামে ৭২ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
তবে বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে এসব কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারলে ভালো হয়।

প্রায় এক-চতুর্থাংশ সংখ্যক পুরুষ (২৪ দশমিক ২৭ শতাংশ) এবং ১৯ দশমিক ২৬ শতাংশ নারী মাধ্যমিক এবং উচ্চ স্তরের পড়াশোনা শেষ করতে পারে।

জরিপে উঠে এসেছে, ১৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ পুরুষ বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ পাননি। নারীদের মধ্যে এ হার ২২ পার্সেন্ট।
নারীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিতে হবে। কারন নারী শিক্ষিত না হলে জাতি শিক্ষিত হতে পারে না

Leave a Comment