নিপা ভাইরাস থেকে বেঁচে ফিরলেও নিস্তার নাই

আপনি কি জানেন নিপা ভাইরাস কি? কেন এই ভাইরাস এতটা বিপদজনক আজ আমরা নিপা ভাইরাসের চারটি বড় ধরনের বিপদ নিয়ে কথা বলব,, তবে তার আগে জেনে নেই নিপা ভাইরাস কি? এবং কেন এতটা বিপদজনক ।


নিপা ভাইরাস কি?


এটা এক ধরনের ভাইরাস, বাংলাদেশে দেখা গেছে যে ফলাহারি যে বাদর গুলো যারা কিনা ফল খায় সেই বাঁদরগুলো থেকেই ছড়িয়েছে এই নিপা ভাইরাস,, এটা খুবই ভয়ানক একটি ভাইরাস মূলত খেজুরের রসে উপস্থিতি পাওয়া গেছে যে খেজুরের রস টা হয় মানুষজন খেয়েছে না হলে মলমূত্র ত্যাগ করেছে।
নিপা ভাইরাস কেন এত বিপদজনক?
বাংলাদেশের রোগ নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট আইইডিসিআর তাদের তথ্য অনুযায়ী গত ২ দশকের বেশি সময় যতজন মানুষ নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তার মধ্যে ৭১ শতাংশ মানুষ মারা গেছে। গত বছরের 14 ই মার্চ পর্যন্ত ১৪ জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তার মধ্যে দশজনই মারা গেছেন।
নিপা ভাইরাজ এর লক্ষণসমূহ?
বাংলাদেশের ডক্টর শারমিন সুলতানা বলেন জেনিফা ভাইরাসের শতকরা ৭০ পার্সেন্ট মানুষ মারা যায়। যারা বেঁচে আছেন তাদের কে পরীক্ষা করে দেখেছেন যে তাদের শরীরে ব্রেনে ইনফেকশন হওয়াতে ফলস ভিত্তিতে তাদের ব্রেনে কিছু না কিছু সমস্যা থেকে যায় এদের বেশিরভাগই দেখা যায়। হাঁটতে পারে না ঠিকমতো। চোখ বাঁকা হয়ে যা মুখ বাঁকা হয়ে যাওয়া সহজ নানান রকম জটিলতা সৃষ্টি হয় তাদের মধ্যে। কেউ কেউ তো লিখতেও পারেনা ঠিকমতো। একটানা একটা উপসর্গ থেকেই যায় তাদের মধ্যে। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৮০ জনের উপরে রোগী বেঁচে আছেন এবং প্রত্যেকেই কোন না কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে।


নিপা ভাইরাসের লক্ষণ সমূহ:


নিপা ভাইরাসের বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে সেগুলো হল
১. প্রাথমিকভাবে জ্বর আসতে পারে
২. মাথাব্যথা এবং গলা ব্যথা হতে পারে
৩. তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে
৪. বমি বমি ভাব লাগতে পারে
৫. অসংলগ্ন পোলাপ এবং মস্তিষ্কের তীব্র সংক্রমণ হতে পারে।
৬. তীব্র বুকে ব্যাথা হতে পারে।
এছাড়াও জ্বর কাশি ফুসফুসে আক্রমণ হতে পারে।

দীর্ঘক্ষণ ধরে সর্দিও থাকতে পারে। আবার কোন লক্ষণ ছাড়াও নিপা ভাইরাস শরীরে আক্রমণ করতে পারে।
তাই আমাদের উচিত বাদুর ও রুগ্ন শূকর থেকে দূরে থাকা, অপরিশুদ্ধ ও খেজুর রস পান না করা।


নিপা ভাইরাস সংক্রমিত হলে কিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা করবেন:


দিনে দিনে বাড়ছে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ। তাই আমাদের উচিত এখনই সতর্ক থাকা। এবং আমাদের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা। সুস্থ থাকার জন্য নিপা ভাইরাসের লক্ষণ ও চিকিৎসা প্রতিরোধের উপায় জানতে অবশ্যই হবে। উপরে উল্লেখিত নিপা ভাইরাসের লক্ষণ সমূহ যদি আপনাদের দেহে দেখা দেয় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। এবং সংক্রমতো ব্যক্তির লালা-মোচ্য মল ও রক্তের সংস্পর্শে যেন কেউ না আসে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। খুব সাবধানে সাথে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

Leave a Comment