২০২৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু দিকনির্দেশনা।

২০২৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু দিকনির্দেশনা।

গতকাল থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সম মানের পরীক্ষা। এবছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে প্রায় সোয়া ২০ লাখ পরীক্ষার্থী। বে গত বছরের চেয়ে এবার এসএসসিতে প্রায় অর্ধলাখ পরীক্ষার্থী কমেছে। এবছর পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের পরীক্ষা হচ্ছে প্রিয় শিক্ষার্থী বিন্দু এই আর্টিকেলের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।

প্রথমে OMR Sheet নিয়ে কিছু কথা:

১. OMR শিট পূরণ করার সময় কলম ব্যবহারে সাবধান হতে হবে কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।

২. OMR শিটে যে অংশটুকু শিক্ষার্থীদের জন্য সেখানে শুধু লিখতে হবে বাকি অংশে কোন চিহ্ন বা কোন কিছু লেখা যাবে না ।

৩. রোল নাম্বার, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ও প্রশ্নের সেট ইত্যাদি বিষয়গুলো সুন্দর ভাবে পূরণ করতে হবে কোন কাটাছেঁড়া করা যাবে না।

৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বৃত্ত ভরাট করার সময়ের আগে রোল ও রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এর খালিঘরে লিখে নিতে হবে বারবার দেখতে হবে কোন ভুল হয়েছে কিনা পরীক্ষার পেপার জমা দেওয়ার আগে একবার দেখে নিতে হবে। কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হলে কক্ষ এ দায়িত্বরত শিক্ষককে বলবে।

৫. উত্তর পত্র বা OMR এর কোন অংশে দাগ দেওয়া যাবেনা।

৬. OMR শিট কোনভাবে ভাঁজ করা যাবেনা তাহলে মেশিনে সেটা কাজ করবেনা।

হাতের লেখা সুন্দর করতে হবে:

পরীক্ষার্থী দের আরেকটা বিষয় খেয়াল করতে হবে , তা হলো হাতের লেখা সুন্দর ও বানান সঠিক হওয়া। পরীক্ষার খাতায় হাতের লেখা যদি সুস্পষ্ট বোঝা যায় তাহলে যিনি পরীক্ষক তার জন্য খাতার লেখা বুঝতে সুবিধা হবে। বানান যদি সঠিক না থাকে, পরীক্ষকের কাছে বিষয়টা বিব্রতকর মনে হয়, স্বভাবতই নম্বর কমে যায়। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, খাতার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। অনেক শিক্ষার্থী খাতায় ভুল হলে একটানে কেটে দেয়, আবার অনেকে হিজিবিজি করে অনেক কালি দিয়ে কাটে। যে একটানে কেটে দেয়, সেটাও কাটা। আর যে হিজিবিজি করে অনেক বেশি কাটে সেটাও কাটা।

বেশি কাটাকটি করলে খাতাটা দেখতে সুন্দর লাগে না। একটা কথা আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী। একটা খাতা যখন অনেক কাটাছেঁড়া, অনেক অগোছালো লেখা, বানান ভুল, লেখার লাইনগুলোও বাঁকা- তখন পরীক্ষক মনে করেন শিক্ষার্থী ভালো নয়। তাই নম্বর কমে আসতে পারে।

আশা করি উপরের বিষয়গুলো শিক্ষার্থীরা যদি মেনে চলে তাহলে পরীক্ষায় রেজাল্ট ভালো আসবে।

পরিক্ষা শেষে সঠীক ভাবে রিভিশন দিতে হবে:

পরীক্ষা হচ্ছে মূল্যায়নের একমাত্র পন্থা। আর এস এস সি পরীক্ষা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনের একটি মাইলফলক। যদিও দীর্ঘ দশ বৎসরের শিক্ষা জীবনের মধ্যে পি ই সি ও জে এস সি পরীক্ষা হয় তারপরও এস এস সি পরীক্ষার মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই শুরু হয় জীবনের প্রথম অধ্যায় । তাই এই পরীক্ষা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম ধাপ এর মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয় উচ্চ শিক্ষার। জীবনের লক্ষ্য স্থির করার পথ পরীক্ষা। , পরীক্ষার হলে চিন্তাভাবনা করে উত্তর বের করতে হবে। উত্তরগুলো লেখা শেষ হলে সেগুলো সঠিকভাবে রিভিশনও দিতে হবে। রিভিশন দেওয়ার সময় দেখতে হবে যে কোন ভুল ত্রুটি আছে কিনা। ভুল ত্রুটি থাকলে সেগুলো সংশোধন করে দিতে হবে। এটা পরীক্ষার্থীর জন্য অবশ্যই কর্তব্য।
সঠিক সময়ে লেখা সম্পূর্ণ করতে হবে।
এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে পরীক্ষা হলে ঢুকতে হবে।
শিক্ষা সরঞ্জাম ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস নেয়া যাবে না পরীক্ষার হলে।

সর্বোপরি কক্ষ এ দায়িত্বরত শিক্ষকের সাথে সৌহার্দপূর্ণ ব্যবহার করবে। দোয়া ও ভালবাসা রইলো

Leave a Comment