জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেবল একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নাম নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কোটি ছাত্রজনতার আবেগের স্পন্দন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই সংগঠনটি জন্মলগ্ন থেকেই উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত। রাজপথে আন্দোলন, সংগ্রাম আর ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ছাত্রদলের ইতিহাস। বর্তমান ডিজিটাল যুগে রাজপথের স্লোগানের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও রাজনৈতিক প্রচারণার গুরুত্ব অপরিসীম।
একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে ফেসবুকে বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের আদর্শ তুলে ধরা এখন সময়ের দাবি। আপনার একটি শক্তিশালী স্ট্যাটাস বা ক্যাপশন হাজারো কর্মীকে উজ্জীবিত করতে পারে, প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাতে পারে। বিএনপি ছাত্রদলের ক্যাপশন, স্ট্যাটাস এবং স্লোগান নিয়ে সাজানো এই আর্টিকেলে আপনারা পাবেন ১৫০টিরও বেশি তেজদীপ্ত ও রাজপথ কাঁপানো উক্তি। আসুন, শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে আমরা সাইবার দুনিয়াতেও গর্জে উঠি।
শহীদ জিয়ার আদর্শ ও ছাত্রদল
ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীর ধমনীতে প্রবাহিত হয় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনা। [শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান] বিশ্বাস করতেন, ছাত্ররাই জাতির ভবিষ্যৎ এবং তাদের হাতেই ন্যস্ত থাকবে আগামীর বাংলাদেশ। তিনি ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেননি, তুলে দিয়েছিলেন খাতা ও কলম। শিখিয়েছিলেন উৎপাদনমুখী রাজনীতির পাঠ। তাই ছাত্রদল করা মানে কেবল রাজনীতি করা নয়, বরং দেশ গড়ার কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করা।
কেন ছাত্রদল সেরা? কারণ এই দল শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি—এই তিন মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে ছাত্রদল আজও স্বমহিমায় উজ্জ্বল। আমাদের আদর্শ ব্যক্তিপূজা নয়, আমাদের আদর্শ দেশপ্রেম। যখনই দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই ছাত্রদল ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জিয়ার সৈনিকরা কখনো পথ হারায় না, কারণ তাদের দিকনির্দেশনা আসে দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা থেকে।
একজন গর্বিত ছাত্রদল কর্মী হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো এই আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার প্রতিটি শব্দ হোক বুলেটের মতো শক্তিশালী এবং যুক্তির মতো ধারালো। মনে রাখবেন, আপনি যখন কথা বলেন, তখন আপনি কেবল নিজের কথা বলেন না, আপনি প্রতিনিধিত্ব করেন এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন [জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল]-এর।
বিএনপি ছাত্রদলের ক্যাপশন ও রাজপথ কাঁপানো আগুন ঝরা স্লোগান
মিছিলের অগ্রভাগে থেকে স্লোগান দেওয়া কিংবা ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে প্রতিবাদের ঝড় তোলার জন্য প্রয়োজন তেজদীপ্ত ভাষা। এখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জন্য বাছাই করা কিছু আগুন ঝরা স্লোগান দেওয়া হলো।
এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে।
জিয়ার সৈনিক, এক হও, লড়াই করো।
রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়।
জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো।
অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।
আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?
দফা এক দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ।
শহীদ জিয়ার স্মরণে, ভয় করি না মরণে।
লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই।

বুলেটের জবাব দেব, ব্যালটের মাধ্যমে।
তারেক রহমান আসবে, বাংলাদেশ হাসবে।
খালেদা জিয়ার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই।
হামলা করে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না।
জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রদল জেগেছে।
বন্দী আছে জনতা, দেশটা কি তোর একার না?
লাঠির বারি টিয়ারগ্যাস, জবাব দিবে বাংলাদেশ।
ধরে ধরে ছাত্রলীগ, ধইরা ধইরা থাপড়া।
ছিঁড়ে ফেলো জঞ্জাল, জেগেছে ছাত্রদল।
গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক।
শহীদ জিয়ার বাংলায়, স্বৈরাচারের ঠাঁই নাই।
ভেঙে ফেলো জেলের তালা, আনো দেখি কত জ্বালা।
মাগো তোমায় কথা দিলাম, গণতন্ত্র ফেরত দিলাম।
দেশটা কারো বাপের না, ছাত্রদল তা মানে না।
আমার দেশ আমার মাটি, ছাত্রদল সবার খাঁটি।
পুলিশ দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না।
রাজপথের লড়াকু, তারেক রহমান।
চলছে লড়াই চলবে, ছাত্রদল লড়বে।
এক দফার এক দাবি, স্বৈরাচার কবে যাবি।
রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব।
তবুও এই দেশকে, মুক্ত করে ছাড়ব।
তারেক জিয়ার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।
শহীদ জিয়ার আদর্শ, অনির্বাণ চিরন্তন।
জাতীয়তাবাদের দুর্গ, ভাঙতে দেব না।
ছাত্রদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস
গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেত্রী [দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া] আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তিনি অন্যায় ও অবিচারের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। তাকে নিয়ে কিছু আবেগঘন ও সম্মানসূচক স্ট্যাটাস নিচে দেওয়া হলো।
তিনি পালিয়ে যাননি, তিনি মাথা নত করেননি; তিনি দেশের মাটিতেই দাঁড়িয়ে আছেন হিমালয়ের মতো।
আপোষহীনতার আরেক নাম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
জেল-জুলুম তাকে দমাতে পারেনি, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন আরও শক্তিশালী, আরও উজ্জ্বল।
গণতন্ত্রের মা, আপনি আমাদের সাহসের উৎস। আপনার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি।

যিনি স্বামীর লাশের পাশে দাঁড়িয়েও গণতন্ত্রের কথা ভেবেছেন, তিনিই আমাদের মা খালেদা জিয়া।
কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে আটকে রাখা যায় শরীর, কিন্তু আদর্শকে বন্দী করা যায় না।
বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি নাম নয়, তিনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক।
শাসকের রক্তচক্ষু তাকে ভয় দেখাতে পারেনি, তিনি নির্ভীক, তিনি অবিচল।
মাগো তুমি ফিরে এসো, এই বাংলা তোমায় খুঁজছে।
খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, দিতে হবে, দিচ্ছে।
বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন, কিন্তু সাহসের ভারে তিনি আজও তরুণদের আইকন।
আপনার ত্যাগ বৃথা যাবে না মা, আমরা রাজপথে আছি, থাকব।
যতদিন আপনার হাতে দেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
স্বৈরাচারের বুকে কাঁপন ধরানো নাম খালেদা জিয়া।
তিনি শিখিয়েছেন কীভাবে শিরদাঁড়া সোজা করে বাঁচতে হয়।
অসুস্থ শরীরেও তিনি লড়ছেন, দেশের জন্য, মানুষের জন্য।
খালেদা জিয়ার সৈনিকরা মরতে জানে, কিন্তু পিছু হটতে জানে না।
মা, আপনার একটি হুকুমের অপেক্ষায় কোটি জনতা।
বন্দী মা, কেঁদো না, সন্তানরা রাজপথ ছাড়েনি।
ইতিহাস স্বাক্ষী, খালেদা জিয়া কখনো পরাজিত হননি।
তিনি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন না, তিনি মানুষের জন্য রাজনীতি করেন।
খালেদা জিয়া মানেই লাল-সবুজের বাংলাদেশ।
আপনার মুক্তি আমাদের অধিকার, দয়া নয়।
মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত, আর খালেদা জিয়ার পায়ের নিচে স্বৈরাচারের কবর।
গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, স্যালুট আপনাকে।
দেশনায়ক তারেক রহমান ও আগামীর নেতৃত্ব
আগামীর রাষ্ট্রনায়ক, আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা [দেশনায়ক তারেক রহমান]-এর দিকনির্দেশনাই আমাদের পাথেয়। সুদূর প্রবাসে থেকেও তিনি যেভাবে দলকে সুসংগঠিত করেছেন, তা নজিরবিহীন। তাকে নিয়ে কিছু অনুপ্রেরণামূলক ক্যাপশন।
দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতেই নিরাপদ আগামীর বাংলাদেশ।
নেতা তো তিনিই, যিনি হাজার মাইল দূর থেকেও কর্মীর হৃদস্পন্দন শুনতে পান।
তারেক রহমান মানেই তারুণ্যের অহংকার, সমৃদ্ধির অঙ্গীকার।
Take Back Bangladesh—দেশনায়কের এই স্লোগানই আমাদের মূলমন্ত্র।
ষড়যন্ত্র করে তাকে দূরে রাখা যায়, কিন্তু মানুষের মন থেকে মুছবে কীভাবে?
তারেক জিয়ার নির্দেশ, রাজপথে আছি অবশেষ।
আগামীর সূর্যোদয় হবে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরে।

তিনি কেবল নেতা নন, তিনি এক অদম্য সাহসের নাম।
যিনি মেরুদণ্ডহীন জাতিকে স্বপ্ন দেখাতে শিখিয়েছেন।
তারেক রহমান আসছেন, জঞ্জাল সব সরছে।
নেতৃত্ব যদি শিখতে চাও, তারেক রহমানের দিকে তাকাও।
দেশনায়কের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই।
তারেক রহমানের আগমনে, উল্লাসিত জনগণ।
তিনি ফিরে আসবেন বীরের বেশে, কাঁপবে বাংলা তার আবেশে।
লন্ডন থেকে ডাক দিয়েছেন, বীর বাঙালি জেগেছে।
তারেক রহমান আমাদের বাতিঘর, আঁধারে আলোর দিশারী।
আগামীর বাংলাদেশ হবে তারেক রহমানের বাংলাদেশ।
তারুণ্যের শক্তি, তারেক রহমানের ভক্তি।
যিনি সব হারিয়েও দেশের কথা ভাবেন, তিনিই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।
তারেক রহমান একা নন, কোটি জনতা তার সঙ্গে।
তার মেধা ও প্রজ্ঞাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি।
দেশনায়কের নির্দেশে, ঝাঁপিয়ে পড়ব রাজপথে।
নেতা আসবে ফিরে, বিজয় মুকুট পরে।
তারেক জিয়া, এক নাম, এক ইতিহাস।
আমরা তারেক রহমানের লড়াকু সৈনিক।
ফেসবুক প্রোফাইল পিকচারের পলিটিক্যাল ক্যাপশন
নিজের ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক আদর্শকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রোফাইল পিকচারের সাথে মানানসই কিছু পলিটিক্যাল ক্যাপশন।
রক্তে আমার জিয়ার আদর্শ, বুকে আমার দেশপ্রেম।
রাজনীতি করি দেশের জন্য, ক্ষমতার লোভ আমার নেই।
জিয়ার সৈনিক আমি, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করি না।
আমি ছাত্রদল, আমি রাজপথের অতন্দ্র প্রহরী।
শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে পথ চলি।
কারো দয়ায় রাজনীতি করি না, নিজের যোগ্যতায় টিকে আছি।

দেশনেত্রীর দোয়া আর দেশনায়কের নির্দেশ—এই আমার শক্তি।
মিছিলে আমি, স্লোগানে আমি, মুক্তির সংগ্রামে আমি।
ছাত্রদল আমার অহংকার, জাতীয়তাবাদ আমার অলংকার।
পকেটে হাত দিয়ে রাজনীতি হয় না, রাজনীতি করতে কলিজা লাগে।
ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আমি জিয়ার সৈনিক।
রাজপথ আমার ঠিকানা, জেলখানা আমার বিশ্রামাগার।
নেতার কর্মী আমি, আদর্শের ফেরিওয়ালা।
আমি সেই দলের কর্মী, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন।
চেহারায় নয়, আদর্শে বিশ্বাসী।
পাঞ্জাবি পরেছি ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনে হাতা গুটিয়ে নামতেও জানি।
শান্তিতে আমরা কপোত, আর সংগ্রামে আমরা বাজপাখি।
আমি দলকানা নই, আমি দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী।
আমার নেতা তারেক রহমান, আমার আদর্শ জিয়াউর রহমান।
রাজনীতি মানে ভোগ নয়, রাজনীতি মানে ত্যাগ।
জাতীয়তাবাদী চেতনার সেরা উক্তি
জাতীয়তাবাদী রাজনীতি কেবল স্লোগান নয়, এটি একটি দর্শন। দেশপ্রেম, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নিয়ে কিছু গভীর ও মননশীল উক্তি।
সার্বভৌমত্ব কোনো আপোষের বিষয় নয়, এটি রক্ষার জন্য রক্ত দিতে আমরা প্রস্তুত।
গণতন্ত্র একটি ফুলের মতো, যা স্বৈরাচারের কাঁটার আঘাতে রক্তাক্ত।
জাতীয়তাবাদ মানেই নিজের দেশকে সবার আগে রাখা।
সীমান্তে কাঁটাতার থাকতে পারে, কিন্তু দেশপ্রেমে কোনো বাধা নেই।
বিদেশি প্রভুর দালালি করে ক্ষমতায় থাকার চেয়ে, রাজপথে মরে যাওয়া অনেক সম্মানের।
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন—জিয়ার এই বাণীই আমাদের পাথেয়।
দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ, আর জাতীয়তাবাদ দেশের শক্তি।

আমরা বন্ধু চাই, কিন্তু প্রভু চাই না।
বাংলাদেশের মাটি দুর্জয় ঘাঁটি, এখানে কোনো আধিপত্যবাদের ঠাঁই নেই।
জনগণের ভোট ছাড়া কোনো সরকার বৈধ হতে পারে না।
রাষ্ট্র যখন বিপদে, নীরব থাকা তখন অপরাধ।
জাতীয়তাবাদী শক্তি জেগে উঠলে, ষড়যন্ত্রকারীরা গর্তে লুকায়।
আমাদের রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য, ভিনদেশী ইশারায় নয়।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই কোনো দলের লড়াই নয়, এটি অস্তিত্বের লড়াই।
জিয়াউর রহমান শিখিয়েছেন, কীভাবে শূন্য থেকে রাষ্ট্র গড়তে হয়।
আমরা মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই, গোলাম হয়ে নয়।
দেশকে ভালোবাসলে রাজপথে নামো, ঘরে বসে বিপ্লব হয় না।
জাতীয়তাবাদ কোনো স্লোগান নয়, এটি আমাদের চেতনার মশাল।
জনগণের ক্ষমতাই প্রকৃত ক্ষমতা, বন্দুকের নল নয়।
স্বাধীনতার ঘোষকের দলের কর্মী হওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
প্রতিপক্ষকে হুঁশিয়ারি ও সাহসী স্ট্যাটাস
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ যখন সীমা লঙ্ঘন করে, তখন তাদের উচিত জবাব দেওয়া প্রয়োজন। সাহসিকতায় পূর্ণ এবং হুঁশিয়ারি মূলক কিছু স্ট্যাটাস।
হুঁশিয়ার সাবধান! জিয়ার সৈনিকরা এখনো মরে যায়নি।
রাজপথ কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয়, এটা মনে রেখো।
পালানোর পথ পাবে না, সময় খুব দ্রুত পাল্টাচ্ছে।
হামলা করে দমানো যাবে না, আমরা বারুদ হয়ে ফিরে আসব।

সহ্য করছি বলে দুর্বল ভেবো না, জিয়ার সৈনিকরা জ্বলে উঠতে জানে।
পুলিশ দিয়ে রাজনীতি হয় না, সাহস থাকলে রাজপথে এসো।
দিনের ভোট রাতে করো, লজ্জা করে না?
খেলা হবে রাজপথে, দেখা হবে বিজয়ে।
স্বৈরাচারের গদি, উল্টে দেব যদি।
আঘাত করলে পাল্টা আঘাত পাবে, এটাই ছাত্রদলের নীতি।
তোমাদের বন্দুকের গুলি শেষ হবে, কিন্তু আমাদের বুক শেষ হবে না।
রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ নেই, আমরা মৃত্যুকে জয় করেছি।
সময় আসছে হিসাবের, তৈরি থেকো পালানোর।
ছাত্রলীগ সামলাও, ছাত্রদল আসছে।
রাজপথে নামলে বুঝবে, কত ধানে কত চাল।
আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে পস্তাতে হবে।
শহীদ হওয়ার শপথ নিয়েছি, পিছপা হব না।
তোমাদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে।
গণতন্ত্রকামী জনতার স্রোতে ভেসে যাবে সব স্বৈরাচার।
লড়াই যখন শুরু করেছি, শেষ না দেখে ঘরে ফিরব না।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশেষ দিবসের শুভেচ্ছা
[জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল]-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দিবসে ব্যবহারের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা।
শিক্ষা, ঐক্য, প্রগতি—এই তিন মূলনীতি নিয়ে এগিয়ে চলুক প্রাণের সংগঠন ছাত্রদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা।
আজ পহেলা জানুয়ারি, ছাত্রদলের জন্মদিন। শুভ জন্মদিন এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন।
গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ৪৬ বছর। শুভ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
শহীদ জিয়ার হাতে গড়া সংগঠন, বেঁচে থাক হাজার বছর।

৭ই নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ব।
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শুভেচ্ছা সকল জাতীয়তাবাদী সৈনিককে।
১৬ ডিসেম্বর আমাদের অহংকার, বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা, জিয়ার অবদান ভুলবে না জমানা।
২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের ভাষা, জিয়ার বাংলা আমাদের আশা।
শহীদ জেহাদ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জানাই সংগ্রামী শুভেচ্ছা।
আগামীর নেতৃত্ব গড়তে ছাত্রদল অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শপথ হোক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের।
শুভ জন্মদিন প্রাণের ছাত্রদল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও টিপস
দলের দুর্দিনের কান্ডারিদের জানাই স্যালুট।
জাতীয়তাবাদী ভাই ও বন্ধুরা, সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে আমাদের রাজনীতির অন্যতম হাতিয়ার। এখানে আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল বা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।
কখনো গালিগালাজ বা অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবেন না। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যুক্তি ব্যবহার করুন, কুৎসা নয়। ফেক নিউজ বা গুজব ছড়াবেন না, এতে দলের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা না করে দলীয় ফোরামে কথা বলুন। মনে রাখবেন, আপনার আচরণ দেখেই সাধারণ মানুষ [বিএনপি] ও [ছাত্রদল] সম্পর্কে ধারণা তৈরি করবে। আমরা জিয়ার সৈনিক, আমাদের আচরণ হতে হবে মার্জিত ও বুদ্ধিদীপ্ত।
শেষ কথা
রাজপথ থেকে সংসদ, সবখানেই ছাত্রদলের জয়গান। আমরা সেই বীরের জাতি যারা ৯ মাসে দেশ স্বাধীন করেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই লড়াইয়েও আমরা বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ। রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত কাছে আসে। স্বৈরাচারের অন্ধকার কেটে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন সূর্য উদিত হবে।
জাতীয়তাবাদী বন্ধুরা, হতাশ হবেন না। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। রাজপথে দেখা হবে, স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হবে বাংলার আকাশ-বাতাস। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ।
FAQs (সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী)
ছাত্রদলের সেরা স্লোগান কোনটি?
ছাত্রদলের অনেক জনপ্রিয় স্লোগান আছে, তবে “এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে” এবং “জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো” স্লোগানগুলো রাজপথে সবসময়ই সেরা।
শহীদ জিয়াকে নিয়ে কিছু ক্যাপশন চাই।
“স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, লও লও সালাম”, “শহীদ জিয়ার আদর্শ, অনির্বাণ চিরন্তন” অথবা “তিনি কেবল নেতা নন, তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি”—এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
তারেক রহমানের জন্মদিনের স্ট্যাটাস কী হতে পারে?
“শুভ জন্মদিন আগামীর রাষ্ট্রনায়ক দেশনায়ক তারেক রহমান। আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘজীবী করুন এবং বাংলাদেশের হাল ধরার তৌফিক দিন।”
ফেসবুকে রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেওয়ার নিয়ম কী?
সবসময় মার্জিত ভাষায়, সঠিক তথ্য দিয়ে এবং দলের আদর্শ মেনে স্ট্যাটাস দেওয়া উচিত। ব্যক্তিগত আক্রমণ বা মিথ্যা তথ্য পরিহার করা বাঞ্ছনীয়।
মিছিলের জন্য ছোট স্লোগান কোথায় পাব?
এই আর্টিকেলের “রাজপথ কাঁপানো আগুন ঝরা স্লোগান” সেকশনে ৩০টিরও বেশি ছোট ও বড় স্লোগান দেওয়া আছে যা মিছিলে ব্যবহার করা যাবে।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো কিছু ক্যাপশন
- 500+ স্বার্থপর মানুষ নিয়ে স্ট্যাটাস:তিক্ত কিছু উক্তি স্ট্যাটাস ও ছন্দ
- ১৫০+স্মৃতি নিয়ে উক্তি: বেদনাময় ও হৃদয়ছোঁয়া কথা
- ২০০+ ভালোবাসার ফেসবুক স্ট্যাটাস ২০২৫
- 110+মৃত বাবাকে নিয়ে কষ্টের স্ট্যাটাস প্রিয় বাবার স্মৃতিতে হৃদয় ছোঁয়া উক্তি
- 60+শৈশবের স্মৃতি নিয়ে ক্যাপশন ২০২৫ ছোটবেলার সুখ ও মিষ্টি স্মৃতির গল্প
- 50+খুশির মুহূর্ত নিয়ে স্ট্যাটাস জীবনের ছোট ছোট সুখ নিয়ে উক্তি
- 70 + প্রিয় মানুষকে মিস করার হৃদয়স্পর্শী বাংলা স্ট্যাটাস ও উক্তি
- 120+Stylish Facebook Bio Bangla 2025 স্টাইলিশ
- 122+অভিমান নিয়ে উক্তি – হৃদয় ছোঁয়া স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন
- 125+হৃদয়স্পর্শী অনুপ্রেরণামূলক ও বাস্তবধর্মী সৌন্দর্য নিয়ে উক্তি ও ক্যাপশন
- 120+বাংলা সৌন্দর্য উক্তি ও ক্যাপশন
- 120+ রাজনীতি নিয়ে বাস্তব উক্তি ও স্ট্যাটাস
- জীবন বদলে দেওয়া 160+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি সফলতার বাণী








