১৫০+ প্রয়োজন নিয়ে উক্তি: স্বার্থ, বাস্তবতা ও মানুষের রূপ নিয়ে কথা

Last Updated on January 30, 2026 by Protik

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি:পৃথিবীটা বড় অদ্ভুত এক জায়গা। এখানে কেউ আপনাকে অকারণে মনে রাখে না। খেয়াল করে দেখবেন, যেদিন আপনার হাতে অফুরন্ত সময় বা পকেটে টাকা থাকে, সেদিন আপনার চারপাশে মানুষের অভাব হয় না। কিন্তু যেদিন আপনার কিছুই থাকে না, সেদিন ছায়াটাও যেন অভিমান করে সরে যায়। ‘প্রয়োজন’ শব্দটা খুব ছোট, কিন্তু এর প্রভাব বিশাল। মানুষের সম্পর্ক, ভালোবাসা, এমনকি যোগাযোগ—সবকিছুই আজকাল এই একটি শব্দের ওপর ঝুলে আছে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, যাকে আপনি এত গুরুত্ব দিচ্ছেন, সে-ও আপনাকে ততটাই ভাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ মানুষের কাছে আপনি ততদিনই প্রিয়, যতদিন আপনাকে তাদের প্রয়োজন। কাজ ফুরিয়ে গেলে সেই প্রিয় মানুষটিই আপনাকে অচেনা করে দেয়। এই অভিজ্ঞতাটা তিক্ত হলেও সত্য।

আজকের এই আয়োজনে আমরা সাজিয়েছি প্রয়োজন, স্বার্থ এবং মানুষের বদলে যাওয়া রূপ নিয়ে ১৫০টিরও বেশি সেরা উক্তি। এই কথাগুলো আপনার জমে থাকা অভিমানগুলোকে ভাষা দেবে এবং আপনাকে বাস্তবতা চিনতে সাহায্য করবে। আসুন, প্রয়োজনের আয়নায় মানুষের আসল চেহারাটা দেখে নিই।

প্রয়োজনের সারাংশ ও বাস্তবতা

মানুষ কেন প্রয়োজন ছাড়া কাছে আসে না? এই প্রশ্নটি আমাদের বারবার দগ্ধ করে। আসলে দুনিয়ার নিয়মটাই এমন—’যার কাজ যত বেশি, তার কদর তত বেশি’। এটি শুনতে খারাপ লাগলেও, এটিই আধুনিক সমাজের অলিখিত সংবিধান। স্বার্থের পৃথিবীটা এভাবেই চলে।

প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে মানুষের কথা বলার ধরন, তাকানোর ভঙ্গি, এমনকি মেসেজের রিপ্লাই দেওয়ার গতিও বদলে যায়। যাকে আপনি বন্ধু বা আপনজন ভাবছেন, হতে পারে তার কাছে আপনি কেবল একটি ‘অপশন’ বা সিঁড়ি, যা ব্যবহার করে সে ওপরে উঠতে চায়।

তবে এতে ভেঙে পড়ার কিছু নেই। বরং এটি একটি শিক্ষা। যারা প্রয়োজনে পাশে থাকে আর প্রয়োজন শেষে ছুড়ে ফেলে, তাদের চিনে রাখাটা জরুরি। এই চেনাটাই আপনাকে ভবিষ্যতে ভুল মানুষের ওপর ভরসা করা থেকে বাঁচাবে। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন, যাতে কেউ আপনাকে কেবল ‘দরকার’-এর পণ্য হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে।

প্রয়োজন নিয়ে ইমোশনাল উক্তি

হৃদয়ের গহীন থেকে আসা কিছু কথা, যা বুঝিয়ে দেবে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে মানুষ কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। আপনার অব্যক্ত যন্ত্রণার সঙ্গী হতে পারে এই লাইনগুলো।

মানুষের আসল রূপ তখনই দেখা যায়, যখন তার আপনার প্রতি আর কোনো প্রয়োজন থাকে না।

প্রয়োজন মিটে গেলে ব্যবহার করা টিস্যু পেপার আর প্রিয় মানুষটির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য থাকে না।

সবাই তোমাকে ভালোবাসবে, কিন্তু শর্ত একটাই—তোমাকে তাদের কোনো না কোনো কাজে আসতে হবে।

আমি ভেবেছিলাম আমি তোমার প্রিয়জন, কিন্তু শেষে বুঝলাম আমি ছিলাম কেবল তোমার প্রয়োজন।

যার স্বার্থ যত বেশি, তার গলায় ভালোবাসার সুর তত মিষ্টি। স্বার্থ ফুরোলেই সেই সুর কর্কশ হয়ে যায়।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অভিনয় হলো প্রয়োজনের সময় আপন সাজার অভিনয়।

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি

মানুষ হারায় না, মানুষ কেবল বদলে যায়। যখন আপনার কাছে দেওয়ার মতো কিছু থাকে না, তখন তারা বদলায়।

কাউকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিও না। কারণ প্রয়োজন শেষে গুরুত্বের বেলুনটা ফুটো হতে সময় লাগে না।

যে পাখিটা তোমার খাঁচায় বসে গান গায়, তাকে মুক্ত করে দেখো। প্রয়োজন না থাকলে সে আর ফিরবে না।

অন্ধকারে যে ছায়া তোমার সাথে থাকে না, আলোর ঝলকানিতে সেই ছায়ার ওপর ভরসা করা বোকামি।

আমার উপস্থিতি তখনই তাদের কাছে দামী মনে হয়, যখন তাদের একাকীত্ব কাটাতে কাউকে দরকার হয়।

তুমি তাদের কাছে ততদিনই ভালো, যতদিন তুমি তাদের ‘না’ বলছ না। একবার ‘না’ বলো, দেখবে তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ।

সম্পর্ক যখন প্রয়োজনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, তখন আবেগের কোনো মূল্য থাকে না।

প্রয়োজন মানুষকে কাছে টানে, আবার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে সেই মানুষই দূরে ঠেলে দেয়।

সবাই বলে মানুষ মরণশীল, আমি বলি মানুষের বিবেক তার চেয়েও আগে মরে যায়, বিশেষ করে যখন স্বার্থ সামনে আসে।

স্বার্থপরতা ও মানুষের রূপ নিয়ে উক্তি

স্বার্থপরতা মানুষের মজ্জাগত স্বভাব। মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই স্বার্থপর চেহারা নিয়ে কিছু তীক্ষ্ণ ও বাস্তব উক্তি।

স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ হওয়াটা একটা পাপ। কারণ এখানে ভালো মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ঠকে।

মধুর খোঁজ পেলে পিপঁড়ারা যেমন ভিড় করে, সুখের সময় স্বার্থপর বন্ধুরাও তেমন ঘিরে ধরে।

মানুষ বেইমান নয়, মানুষ আসলে সুবিধাবাদী। যেখানে সুবিধা দেখে, সেখানেই নোঙর ফেলে।

চিনি ছাড়া যেমন মিষ্টি হয় না, তেমনি স্বার্থ ছাড়া আজকাল কোনো বন্ধুত্ব হয় না।

তুমি যার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত, সে হয়তো তোমার মৃত্যুতে লাভ খুঁজবে।

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি

স্বার্থের চশমা দিয়ে যারা দুনিয়া দেখে, তারা কখনো ভালোবাসার রং দেখতে পায় না।

প্রয়োজনে যারা পায় না ধরা, অসময়ে তারাই দেয় যে ধরা—এরাই প্রকৃত বন্ধু। বাকিরা সব অভিনেতা।

শত্রুকে ভয় পেও না, ভয় পাও সেই বন্ধুকে যে তোষামোদ করে তোমাকে ব্যবহার করছে।

পৃথিবীটা গোল, তাই আজ যে তোমাকে প্রয়োজনে ব্যবহার করছে, কাল সে অন্য কারো প্রয়োজনের শিকার হবে।

স্বার্থপরদের একটা ভালো গুণ হলো, তারা খুব ভালো অভিনয় করতে জানে। অস্কার তাদেরই পাওয়া উচিত।

নিজের কাজ হাসিল করার জন্য মানুষ গাধাকেও বাবা ডাকতে দ্বিধা করে না।

বিশ্বাসঘাতকতা তারাই করে, যাদের আপনি বিশ্বাস করে নিজের দুর্বলতাগুলো দেখিয়েছিলেন।

মুখোশ খুলে ফেলার জন্য ঝগড়ার দরকার নেই, শুধু তাদের উপকার করা বন্ধ করে দিন। আসল চেহারা বেরিয়ে আসবে।

স্বার্থের টানে যারা কাছে আসে, স্বার্থের টানেই তারা একদিন আপনাকে পথে বসিয়ে চলে যাবে।

মানুষ আপনাকে মনে রাখে না, মনে রাখে আপনার দ্বারা তার কতটুকু উপকার হয়েছে।

সম্পর্কে যখন প্রয়োজন মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়

ভালোবাসার সম্পর্কেও যখন হিসেব-নিকেশ আর লেনদেন ঢুকে পড়ে, তখন তা আর ভালোবাসা থাকে না। সম্পর্কের এই তিক্ত দিক নিয়ে কিছু কথা।

ভালোবাসা আর প্রয়োজনের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝুন। কেউ আপনাকে ভালোবাসে বলে চায়, আর কেউ আপনাকে চায় কারণ তাকে ভালো থাকতে হবে।

যে তোমাকে সময় দেওয়ার জন্য ব্যস্ততার দোহাই দেয়, মনে রেখো তার প্রয়োজনের তালিকায় তুমি নেই।

প্রেমিক হওয়া সহজ, কিন্তু নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকা মানুষ হওয়া কঠিন।

সম্পর্ক এখন ওয়াই-ফাই এর মতো। পাসওয়ার্ড (স্বার্থ) মিললে কানেক্টেড, না মিললে ডিসকানেক্টেড।

তোমার প্রতি যার টান কেবল প্রয়োজনের, তার কাছে তোমার চোখের জলের কোনো দাম নেই।

আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম হৃদয় দিয়ে, আর তুমি আমাকে কাছে টেনেছিলে অঙ্ক মিলিয়ে।

ভালোবাসায় শর্ত থাকে না, কিন্তু প্রয়োজনে হাজারটা শর্ত থাকে।

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি

তুমি আমাকে অপশন হিসেবে রেখেছিলে, আর আমি তোমাকে প্রায়োরিটি ভেবে ভুল করেছিলাম।

প্রয়োজন শেষে যে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, সে কখনো আপনার ছিল না। সে ছিল তার নিজের।

ব্রেকআপের কষ্ট সয়ে নেওয়া যায়, কিন্তু ব্যবহৃত হওয়ার অপমান ভোলা যায় না।

যে মানুষটি আপনার ভালো সময়ে পাশে থাকে কিন্তু খারাপ সময়ে ফোন ধরে না, তাকে চিনে রাখুন।

ভালোবাসা এখন ‘আই লাভ ইউ’ তে নেই, আছে ‘আমাকে একটু হেল্প করতে পারবে’ তে।

মিথ্যে মায়া দেখিয়ে কাউকে আটকে রাখা, আর প্রয়োজনে ব্যবহার করা—দুটোই সমান অপরাধ।

সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি তখনই আসে, যখন দুজনের মাঝখানের স্বার্থের দেওয়ালটা উঁচু হয়ে যায়।

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি

একতরফা ত্যাগ স্বীকার করে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না, ওটা কেবল দাসত্ব।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি

যুগে যুগে মনীষীরাও মানুষের এই স্বার্থপর রূপ দেখে গেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা ও দর্শন থেকে কিছু অমর বাণী।

চাণক্য বলেছেন, “স্বার্থ ছাড়া কেউ কারো কাছে আসে না। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও তিক্ত সত্য।”

হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লেখনীতে প্রায়ই বলতেন, “মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের কাছে প্রয়োজনের চেয়ে বড় কোনো বাস্তবতা নেই। প্রয়োজন তাদের চরিত্র বদলাতে বাধ্য করে।”

উইলিয়াম শেক্সপিয়র বলেছেন, “সবাইকে ভালোবাসো, খুব কম মানুষকে বিশ্বাস করো, আর কারো সাথে অন্যায় কোরো না। কারণ প্রয়োজনে সবাই রূপ বদলায়।”

এ পি জে আব্দুল কালাম এর মতে, “মানুষ তখনই তোমার প্রশংসা করবে যখন তারা তোমাকে তাদের সমকক্ষ মনে করবে না, অথবা তোমাকে তাদের প্রয়োজন হবে।”

সক্রেটিস বলেছেন, “শত্রুর চেয়ে কপট বন্ধু অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ শত্রু তোমাকে সামনে থেকে আঘাত করবে, কিন্তু কপট বন্ধু তোমার বিশ্বাস নিয়ে খেলবে।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, কিন্তু অন্ধভাবে বিশ্বাস করা বোকামি।”

মার্ক টোয়েন এর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো, “আপনার বিপদের সময় যে পাশে থাকে না, সে আপনার সাফল্যের অংশীদার হওয়ার যোগ্যতা রাখে না।”

ফেসবুক ও স্ট্যাটাসের জন্য ছোট ক্যাপশন

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অনুভূতি প্রকাশের জন্য ছোট কিন্তু আঘাত করার মতো কিছু লাইন।

প্রয়োজন শেষ, পরিচয়ও শেষ।

মানুষ চেনার সেরা সময় হলো নিজের খারাপ সময়।

স্বার্থের পৃথিবীতে নিঃস্বার্থ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ।

আমি তো কেবল প্রয়োজন ছিলাম, প্রিয়জন হতে পারলাম কই?

সময় বদলায় না, বদলায় মানুষের স্বার্থ।

মুখোশধারীদের ভিড়ে আসল মানুষ চেনা দায়।

দরকার মিটলে সবাই অচেনা।

আমার সরলতা তোমার ব্যবসার পুঁজি ছিল।

কলম আর মানুষের মধ্যে মিল হলো—কালি (স্বার্থ) ফুরোলে দুটোরই স্থান ডাস্টবিনে।

ধন্যবাদ তাদের, যারা আমাকে শিখিয়েছে একা চলতে হয়।

প্রয়োজনের ডাককে আমি ভালোবাসা ভেবেছিলাম।

মেসেজ সিন হয় না, কারণ এখন আর আমাকে দরকার নেই।

দিনশেষে সবাই একা, বাকি সব স্বার্থের খেলা।

কারো অপশন হওয়ার চেয়ে একা থাকা অনেক সম্মানের।

মূল্য তো জিনিসের থাকে, মানুষের থাকে শুধু প্রয়োজন।

নিজেকে কীভাবে সামলাবেন

যখন বুঝবেন আপনি কেবল ব্যবহৃত হচ্ছেন, তখন মনের অবস্থা খুব খারাপ থাকে। এই সময় নিজেকে সামলানোর জন্য কিছু পরামর্শ:

১. না বলতে শিখুন:

সবসময় সবার জন্য এভেইলেবল থাকবেন না। মানুষ যখন দেখবে আপনাকে সহজেই পাওয়া যায়, তখন তারা আপনাকে সস্তা ভাববে। প্রয়োজনে ‘না’ বলাটা আত্মসম্মানের অংশ।

২. নিজের সীমারেখা তৈরি করুন:

কার জন্য কতটুকু করবেন, তার একটা সীমারেখা থাকা দরকার। যে আপনার জন্য এক পা এগোয় না, তার জন্য দশ পা এগোনোর দরকার নেই।

৩. প্রত্যাশা কমান:

মানুষের কাছ থেকে প্রতিদান আশা করা বন্ধ করুন। আপনি উপকার করেছেন নিজের ভালোলগার জন্য, তারা ফেরত দেবে—এই আশা করলেই কষ্ট পাবেন।

৪. নিজেকে ব্যস্ত রাখুন:

নিজের ক্যারিয়ার এবং শখের কাজে মনোযোগ দিন। যখন আপনি সফল হবেন, তখন মানুষ আপনাকে প্রয়োজন হিসেবে নয়, সম্মান হিসেবে দেখবে।

৫. আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন:

আবেগের বশবর্তী হয়ে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। যুক্তি দিয়ে বিচার করুন কে আপনার প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী আর কে সুবিধাবাদী।

শেষ কথা

প্রয়োজন নিয়ে উক্তি বা কথাগুলো শোনার পর হয়তো আপনার মনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, পৃথিবীর সবাই স্বার্থপর নয়। কিছু মানুষ এখনো আছে যারা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানে, বন্ধুর জন্য জান দিতে জানে।

সমস্যা হলো, আমরা ভুল মানুষের দরজায় কড়া নাড়ি আর সঠিক মানুষগুলোকে অবহেলা করি। এই লেখাটির উদ্দেশ্য হলো আপনাকে সচেতন করা, যাতে আপনি পরগাছা মানুষগুলোকে ঝেড়ে ফেলে প্রকৃত আপনজনদের চিনতে পারেন। নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের মূল্য তৈরি করুন। দেখবেন, তখন মানুষ আপনাকে ‘প্রয়োজন’ নয়, ‘প্রেরণা’ হিসেবে মনে রাখবে।

FAQs (সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)

প্রয়োজন নিয়ে সেরা উক্তি কোনটি?

“প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ব্যবহার করা টিস্যু আর প্রিয় মানুষটির মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না”—এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বাস্তব এবং জনপ্রিয় একটি উক্তি।

স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায় কী?

যে বন্ধু কেবল তার বিপদে আপনাকে ফোন দেয় কিন্তু আপনার বিপদে অজুহাত দেখায়, সে-ই স্বার্থপর। তাদের চেনার সহজ উপায় হলো—একবার তাদের ছোট একটি উপকার করতে ‘না’ বলে দেখুন।

মানুষ কেন বদলে যায়?

মানুষ আসলে বদলায় না, তাদের প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে তাদের মুখের মুখোশটা খসে পড়ে। আমরা তখন তাদের আসল রূপটা দেখতে পাই মাত্র।

ভালোবাসা এবং প্রয়োজনের মধ্যে পার্থক্য কী?

ভালোবাসায় ত্যাগ থাকে, আর প্রয়োজনে স্বার্থ থাকে। ভালোবাসা আপনাকে শান্তি দেয়, আর প্রয়োজন আপনাকে কেবল ব্যবহার করে ক্লান্ত করে দেয়।

কাউকে কি অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত?

না, কখনোই না। এমনকি নিজের ছায়াকেও অন্ধকারে বিশ্বাস করা যায় না। অন্ধ বিশ্বাস আপনাকে কেবল ঠকাবে এবং কষ্ট দেবে।

নিজেকে অবহেলা থেকে বাঁচানোর উপায় কী?

নিজেকে অবহেলা থেকে বাঁচানোর সেরা উপায় হলো নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং যে আপনাকে অবহেলা করছে তার থেকে সম্পূর্ণ দূরত্ব বজায় রাখা।

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো কিছু ক্যাপশন

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

Leave a Comment