১৭০+ সেরা হাসির ছন্দ ২০২৬: পেট ফাটানো মজার স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন

Last Updated on January 29, 2026 by Protik

হাসি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা কিন্তু কার্যকর ওষুধ। জীবন যখন কাজের চাপে বোরিং হয়ে যায়, তখন এক চিলতে হাসিই পারে আমাদের মন ভালো করে দিতে। ২০২৬ সালে এসে প্রযুক্তির ভিড়ে আমরা হয়তো যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি, কিন্তু বাঙালির আড্ডায় হাসির ছন্দের কদর আজও কমেনি। বন্ধুদের আড্ডা হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজফিড—মজার একটা ছন্দ বা স্ট্যাটাস নিমেষেই পরিবেশ হালকা করে দিতে পারে। আপনি কি আপনার টাইমলাইন বা বন্ধুদের ইনবক্স কাঁপাতে চান? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন।

এখানে আমরা সাজিয়েছি ১৭০টিরও বেশি সেরা হাসির ছন্দ, যা পড়লে আপনি হাসি আটকে রাখতে পারবেন না। পেট ফাটানো সব জোকস, বন্ধুদের পচানোর ছন্দ, আর মিষ্টি প্রেমের খুনসুটি—সবই পাবেন এখানে। এই লেখাটি পড়ার সময় গম্ভীর থাকা নিষেধ। চলুন, হাসির রাজ্যে হারিয়ে যাই এবং আপনার চেনা জগতটাকে একটু রঙ্গিন করে তুলি।

হাসির ছন্দের প্রয়োজনীয়তা ও সারাংশ

কেন আমরা হাসির ছন্দ খুঁজি? কারণ জীবনটা খুব ছোট, আর এখানে দুঃখের চেয়ে হাসির উপলক্ষ্য খুঁজে নেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ। হাসির ছন্দ কেবল শব্দ নয়, এটি মানসিক চাপ কমানোর একটি দারুণ মাধ্যম। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বলে, প্রাণ খুলে হাসলে হার্ট ভালো থাকে এবং মানসিক অবসাদ দূর হয়।

২০২৬ সালে এসে মানুষের ধৈর্য কমেছে, তাই দীর্ঘ জোকসের চেয়ে ছোট ছোট দুই-চার লাইনের ছন্দ বেশি জনপ্রিয়। এই ছন্দগুলো যেমন পড়ার আনন্দ দেয়, তেমনি শেয়ার করার মাধ্যমে অন্যের মুখেও হাসি ফোটানো যায়। এখানে আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছন্দগুলো ভাগ করেছি, যাতে আপনি সহজেই আপনার পছন্দমতো লাইন খুঁজে নিতে পারেন। নিজেকে এবং আশেপাশের মানুষকে খুশি রাখার এই ছোট প্রচেষ্টা আপনার ব্যক্তিত্বকেও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

বন্ধুদের পচানোর সেরা হাসির ছন্দ

বন্ধুত্ব মানেই তো একে অপরকে পচানো। যে বন্ধুকে পচানো হয় না, সেই বন্ধুত্বে নাকি প্রাণের অভাব থাকে। আপনার জিগরি দোস্ত বা বেস্ট ফ্রেন্ডকে ক্ষেপানোর জন্য এই ছন্দগুলো একদম পারফেক্ট।

বন্ধু তুমি আমড়া, দেখতে অনেকটা চামড়া। তোমার মাথায় নেই চুল, তুমি একটা গাধার ফুল।

আলু পটল তরকারি, বন্ধু তুই দরকারি। কিন্তু যখন চাস টাকা, তখন পকেট থাকে ফাঁকা।

বন্ধু আমার খুব ভালো, রাতে জ্বালায় মোমবাতি। দিনে মারে মশারি, বন্ধু আমার তরকারি।

ওরে আমার বন্ধু কালা, গলায় দেব জুতার মালা। বিয়ের দিনে সাজবে তুমি, দেখবে সারা বিশ্বভূমি।

চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখি অদ্ভুত এক প্রাণী, ভালো করে তাকিয়ে দেখি ওটা আমার বন্ধু জনি।

সেরা হাসির ছন্দ

কালা ভূতের সাদা মন, বন্ধু আমার রত্ন ধন। কানের নিচে মারলে থাপ্পড়, বন্ধু হবে আপনজন।

মোবাইল আছে ব্যালেন্স নাই, আমার বন্ধুর জ্ঞান নাই। দেখতে অনেকটা বাঁদর, তবুও করি আদর।

বন্ধু তোকে খাওয়াবো আইসক্রিম, যদি দিস সিম। সিম দিবি না জানি, তোকে খাওয়াবো ড্রেনের পানি।

বন্ধু আমার হিরো, পরীক্ষায় পায় জিরো। দেখতে লাগে ভালো, আসলে একটা উল্লুক কালো।

আকাশেতে উড়ছে কাক, বন্ধু তুমি নিপাত যাক। নদীতে আছে জল, বন্ধু তুমি রসাতল।

টাকা পয়সা হাতের ময়লা, বন্ধু তুমি কয়লা। কয়লা ধুলে যায় না ময়লা, বন্ধু তুমি অবলা।

মাথায় নেই ঘিলু, নাম তার বিলু। কাজে কর্মে লবডঙ্কা, বন্ধু আমার বড্ড বোকা।

প্রেম ও ভালোবাসা নিয়ে মজার ছন্দ

প্রেম মানেই যে সব সময় সিরিয়াস হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। ভালোবাসার মাঝেও থাকে খুনসুটি। প্রেমিক-প্রেমিকাকে একটু রাগাতে বা তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এই রোমান্টিক অথচ ফানি ছন্দগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

প্রেম করলে হয় জ্বালা, না করলে হয় ভালা। তবুও মন মানে না, প্রেম ছাড়া বাঁচে না।

ভালোবাসা বড় অদ্ভুত, প্রেমিকা সাজলে লাগে ভূত। মেকআপ যখন ধুয়ে ফেলে, ভয় পায় পাড়ার ছেলে।

তোমার জন্য আনব আমি আকাশ থেকে তারা, কিন্তু রিকশা ভাড়া চাইলে আমি হয়ে যাই সারা।

মোবাইলে নেই টাকা, প্রেমিকা বলে আমি বোকা। রিচার্জ করে দিলাম যেই, প্রেমিকা বলে ব্রেকআপ সেই।

প্রেম সাগরে নামলাম আমি সাঁতার জানি না, প্রেমিকা বলে আমি নাকি কিছুই পারি না।

সেরা হাসির ছন্দ

মেয়েদের মন বোঝা বড় দায়, সকালে হ্যাঁ বলে বিকেলে না। পকেটের টাকা শেষ হলে, বলে আর চিনিনা।

ভালোবাসা হলো মশার কামড়, চুলকায় সারাক্ষণ। কয়েল জ্বালিয়ে লাভ নেই, কামড়াবেই যখন তখন।

তুমি আমার চাঁদ, আমি তোমার ফাঁদ। তুমি আমার আশা, আমি তোমার ভালোবাসা (বাজে খরচ)।

প্রেমের মরা জলে ডোবে না, কিন্তু লোনের দায়ে ঠিকই ডোবে।

প্রেমিকা আমার লক্ষ্মী সোনা, কিন্তু শপিং এর নাম শুনলে করে আনাগোনা।

ভালোবাসা আসলে চায়না মোবাইল, দেখতে সুন্দর কিন্তু গ্যারান্টি নাই।

প্রেমিক হতে চাই না আমি, খরচ অনেক বেশি। সিঙ্গেল থাকাই অনেক ভালো, মুখে থাকে হাসি।

স্টুডেন্ট লাইফ ও পরীক্ষা নিয়ে হাসির ছন্দ

ছাত্রজীবনে পরীক্ষার আগের রাত এবং রেজাল্টের দিন—এই দুই সময়েই আমরা সবচেয়ে বেশি ধার্মিক হয়ে যাই। পড়ালেখা, স্যারদের বকুনি আর পরীক্ষার হলের সেই করুণ দৃশ্য নিয়ে কিছু মজার ছন্দ।

পরীক্ষা আসছে কাছে, টেনশন আছে পিছে। পড়ালেখা হয় না আর, ফেসবুকে শুধু তোলপাড়।

বই খাতা সব শিকেয় তুলে, মোবাইল নিয়ে বসি। পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখি, প্রশ্ন সব বিদেশী।

স্যার আপনি মহান, পরীক্ষায় কেন এত কঠিন প্রশ্ন দেন? উত্তর লিখতে গিয়ে দেখি, কলমে নেই কালি।

রেজাল্ট যেদিন দিবে, সেদিন আমি থাকব না। আব্বুর হাতে লাঠি দেখে, ঘরে আমি ফিরব না।

ক্লাস ফাকি দিয়ে আমি পার্কে বসে থাকি, স্যার দেখলে বলেন—এতো বড় ফাঁকিবাজি!

সেরা হাসির ছন্দ

গণিত আমার মাথায় ঢোকে না, ইংরেজি তো বুঝি না। বাংলা লিখতে গিয়ে দেখি, বানান সব ভুল ভাল।

পরীক্ষার খাতায় লিখলাম আমি গান, স্যার দিলেন জিরো দিয়ে মান। বাসায় এসে দেখি আমি, পিঠের চামড়া লাল।

স্কুল লাইফ খুব মজার, যদি না থাকত এক্সাম। টিফিনের ওই পচা শিঙাড়া, লাগত যেন বাদাম।

পড়ালেখা করে যে, গাড়ি চাপা পড়ে সে। না পড়লে হয় না পাশ, তাই তো আমি হতাশ।

বন্ধুর খাতায় মারলাম উঁকি, স্যার দিলেন ঝাড়ি। ওরে বাবা পরীক্ষার হল, যেন শ্বশুর বাড়ি।

শীতকাল ও অলসতা নিয়ে মজার ছন্দ

শীতকাল মানেই লেপের নিচে উষ্ণতা আর গোসল না করার বাহানা। বাঙালির শীতকালীন অলসতা নিয়ে কিছু হাস্যরসাত্মক লাইন।

শীতের সকালে ঘুম ভাঙে না, লেপ ছাড়তে মন চায় না। গোসল করতে গেলে পরে, গায়ে যেন কাঁটা দেয়।

শীতকাল এলে মনে হয়, পানি হলো অ্যাসিড। গায়ে লাগলে পুড়ে যাবে, তাই গোসল করা নিষিদ্ধ।

শীতের রাতে লেপের তলে, মোবাইল টিপতে ভালো লাগে। সকালে যখন অ্যালার্ম বাজে, দুনিয়াটা তখন তিক্ত লাগে।

হাঁপানির টান আর শীতের শান, দুটোই সমান। শীত এলে বাড়ে শুধু কাশির গান।

শীতের দিনে গোসল করা, বীরত্বের কাজ। আমি বাবা ভীতু মানুষ, ওসবে নেই আজ।

সূর্য মামা ওঠো না, একটু রোদ দাও না। শীতে আমি জমে গেছি, একটু তাপ দাও না।

শীতের পিঠা খেতে মজা, বানাতে বড় কষ্ট। মা বানায় পিঠা, আমি করি নষ্ট।

সেরা হাসির ছন্দ

শীতকালেতে বিয়ের ধুম, আমার চোখে নেই তো ঘুম। সবাই করে বিয়ে শাদী, আমি শুধু কাঁদি।

শীতের বাতাস লাগে গায়ে, প্রেম জাগে মনে। কিন্তু প্রেমিকা নেই পাশে, দুঃখ রাখি কোণে।

লেপ-তোশক আর কম্বল, শীতকালে এরাই সম্বল। এর বাইরে যা কিছু আছে, সব যেন জঞ্জাল।

সোশ্যাল মিডিয়া ও সেলফি নিয়ে ফানি ছন্দ

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর সেলফির যুগে আমাদের জীবনটাই একটা মিম হয়ে গেছে। ফিল্টার দিয়ে ছবি তোলা আর লাইকের আশায় বসে থাকা নিয়ে কিছু আধুনিক ছন্দ।

ফেসবুকেতে দিলা ছবি, লাইক পড়ে না মোটে। কমেন্টের আশায় তুমি, বসে আছো ঘাটে।

ফিল্টার দিয়ে ছবি তোলো, নিজেকে ভাবো পরি। বাস্তবেতে দেখলে তোমায়, হার্ট অ্যাটাক করি।

স্ট্যাটাস দিলাম হিরো সেজে, লাইক দিল না কেউ। অভিমানে ডিলিট করলাম, মনে উঠল ঢেউ।

ইনবক্সেতে নক দিলে, ভাব দেখায় কত। আসলে তুমি দেখতে ভাই, পুরানো সেই ভূত।

সারাদিন শুধু স্ক্রল করি, কাজের কাজ কিছু না। ডাটা প্যাক শেষ হলে, মেজাজ থাকে না।

প্রোফাইল পিকচার দেখে প্রেমে পড়লাম আমি, বাস্তবে দেখে দেখি—ও মা! এ তো দাদী।

টিকটকেতে নাচো তুমি, কোমড় বাঁকা করে। মানুষ দেখে হাসে শুধু, পাগল বলে তোরে।

সেরা হাসির ছন্দ

ওয়াইফাই গেলে জীবনটা, মনে হয় অন্ধকার। পাসওয়ার্ডটা ভুল হলে, মেজাজ হয় গরম।

ব্লক খেয়েছি শতবার, তবুও শিক্ষা হয়নি। ফেক আইডিতে রিকোয়েস্ট দিতে, লজ্জা আমার লাগেনি।

ভাইরাল হতে চাও যদি, আজেবাজে কিছু করো। ভালো কাজের দাম নেই ভাই, এটাই এখন বড়।

নিজেকে শক্ত ও চনমনে রাখার হাসির টোটকা

হাসি কেবল বিনোদন নয়, এটি নিজেকে ভালো রাখার মন্ত্র। মন খারাপ হলে এই লাইনগুলো পড়ুন, দেখবেন নিমিষেই মন ভালো হয়ে গেছে।

মন খারাপ করে থেকো না, আয়নায় গিয়ে দেখো। নিজের মুখটা দেখলে তুমি, হাসবে শত শত।

টাকা পয়সা আসবে যাবে, চিন্তা করে কী হবে? তার চেয়ে বরং হাসো জোরে, দন্ত বিকশিত হবে।

জীবনটা হলো আইসক্রিম, গলে যাওয়ার আগে খাও। টেনশন করে লাভ নেই ভাই, মস্তি করে যাও।

যে তোমাকে কষ্ট দেয়, তাকে তুমি ভুলে যাও। বিরিয়ানি খেয়ে তুমি, পেটে হাত বুলাও।

দুনিয়াটা গোলমেলে, মানুষগুলো ত্যাড়া। সোজা পথে চলতে গেলে, খাবে তুমি ধরা।

হাসতে মানা নেই কোনো, হাসলে বাড়ে আয়ু। মন খুলে হাসলে পরে, শান্ত থাকে বায়ু।

টিকটকেতে নাচো তুমি, কোমড় বাঁকা করে। মানুষ দেখে হাসে শুধু, পাগল বলে তোরে।

সেরা হাসির ছন্দ

সমস্যা তো থাকবেই ভাই, সমাধানও আছে। খুঁজে না পেলে ঘুমিয়ে পড়ো, এটাই সেরা বাঁচে।

নিজেকে কখনো ছোট ভেবো না, কারণ মশা ছোট হলেও, ঘুম হারাম করে দেয়।

হাসি হলো সংক্রামক, ছড়িয়ে দাও সবার মাঝে। তোমার হাসিতেই যদি কেউ, বাঁচার সাহস খুঁজে।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের রসবোধ (কাল্পনিক সংলাপ ও রেফারেন্স)

হাসি ও রম্য সাহিত্যে বাঙালির ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। বিখ্যাত ব্যক্তিরা সব সময় যে গম্ভীর কথা বলেছেন তা নয়, তাদের রসবোধও ছিল প্রখর।

ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় এর সেই বিখ্যাত কৌতুকগুলো আজও আমাদের হাসায়। তিনি বলতেন, “মাসিমা, মালপোয়া খামু!”—এই সরল বাক্যেই লুকিয়ে ছিল অট্টহাসির খোরাক।

শিবরাম চক্রবর্তী ছিলেন শব্দের জাদুকর। তিনি বলতেন, “ধার করে ঘি খাওয়া ভালো, যদি শোধ দিতে না হয়।” ঋণের বোঝা নিয়ে এমন রসিকতা কেবল তাঁর পক্ষেই সম্ভব।

সুকুমার রায় এর ছড়াগুলো ছোটদের হলেও বড়দের জন্যও হাসির খোরাক। “হুঁকোমুখো হ্যাংলাম” বা “রামগড়ুড়ের ছানা”—এসব চরিত্রের অদ্ভুত সব কান্ডকারখানা আমাদের আজও হাসায়।

গোপাল ভাঁড় এর নাম শুনলেই বাঙালির ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে ওঠে। রাজার দরবারে তার বুদ্ধদীপ্ত ও হাস্যরসাত্মক সমাধানগুলো আজও প্রাসঙ্গিক।

নাসিরুদ্দিন হোজ্জা এর গল্পগুলো যেমন হাসায়, তেমনি ভাবায়। তিনি গাধার পিঠে উল্টো বসে বলতেন, “আমি তো ঠিকই আছি, গাধাটাই উল্টো চলছে।”

মার্ক টোয়েন বলতেন, “স্বর্গে যাওয়ার জন্য ভালো আবহাওয়া আর নরকে যাওয়ার জন্য ভালো সঙ্গ—দুটোই লোভনীয়।”

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের জন্য ছোট হাসির ক্যাপশন

খুব বড় স্ট্যাটাস কেউ পড়তে চায় না? তাহলে এই এক লাইনের পাঞ্চলাইনগুলো আপনার জন্য।

আমি অলস নই, আমি এনার্জি সেভিং মোডে আছি।

আমার পিঠের পেছনে কথা বলো, কারণ ওটাই তোমাদের যোগ্য স্থান।

বিয়ে করা আর মোবাইলে আপডেট দেওয়া—দুটোই রিস্কি।

সবাই বলে প্রেমে পড়ো, আমি বলি ধপাস করে পড়ো।

টাকা কথা বলে না, টাকা শুধু ‘বাই বাই’ বলে।

আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না, আমি ফেল করব।

ঘুমানোটাই আমার সুপারপাওয়ার, কিন্তু সকালে উঠতে গেলেই পাওয়ার শেষ।

আমি ভুল করি না, আমি ক্রিয়েটিভ উপায়ে নতুন কিছু চেষ্টা করি।

আমার লাইফস্টাইল: খাই, দাই, ঘুমাই আর আফসোস করি।

বুদ্ধি আছে, কিন্তু এপ্লাই করার ইচ্ছা নাই।

শেষ কথা

হাসি হলো ঈশ্বরের দেওয়া এক অমূল্য উপহার। জীবনে হাজারো সমস্যা থাকবে, দুঃখ থাকবে, কিন্তু দিনশেষে এক চিলতে হাসিই আপনাকে নতুন করে বাঁচার শক্তি দেবে। ২০২৬ সালের এই ব্যস্ত সময়ে নিজেকে এবং প্রিয়জনদের একটু হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করুন। আমাদের এই ১৭০+ হাসির ছন্দ ও স্ট্যাটাসগুলো যদি আপনার মুখে সামান্য হাসিও ফোটাতে পারে, তবেই আমাদের আয়োজন সার্থক।

মনে রাখবেন, হাসি সংক্রামক। আপনি হাসলে দুনিয়া হাসবে। তাই কৃপণতা না করে প্রাণ খুলে হাসুন, আর এই মজার ছন্দগুলো শেয়ার করে বন্ধুদেরও হাসার সুযোগ করে দিন। ভালো থাকবেন, আর সব সময় হাসতে থাকবেন—কারণ কান্নার জন্য তো পুরো জীবন পড়েই আছে।

FAQs (সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)

সেরা হাসির ছন্দ কোথায় পাব?

আমাদের এই আর্টিকেলেই বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৭০টিরও বেশি সেরা হাসির ছন্দ দেওয়া আছে। আপনি এখান থেকে কপি করে সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।

বন্ধুদের পচানোর জন্য মজার স্ট্যাটাস কী হতে পারে?

“বন্ধু তুমি আমড়া, দেখতে অনেকটা চামড়া”—এই ধরনের ছন্দগুলো বন্ধুদের পচানোর জন্য দারুণ কার্যকর। আর্টিকেলের ‘বন্ধুদের পচানোর ছন্দ’ সেকশনে এমন আরও অনেক লাইন পাবেন।

গার্লফ্রেন্ডকে হাসানোর জন্য কোনো ছন্দ আছে?

অবশ্যই! “তুমি আমার চাঁদ, আমি তোমার ফাঁদ”—এমন রোমান্টিক অথচ ফানি ছন্দগুলো গার্লফ্রেন্ডকে পাঠাতে পারেন। ‘প্রেম ও ভালোবাসা’ সেকশনটি দেখুন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার মতো ক্যাপশন চাই।

“আমি অলস নই, আমি এনার্জি সেভিং মোডে আছি”—এই ধরনের ছোট এবং স্মার্ট ক্যাপশনগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব জনপ্রিয় হয়।

হাসির ছন্দ কি মন ভালো করতে পারে?

হ্যাঁ, হাসির ছন্দ বা জোকস পড়লে মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করে দেয়।

শীতকাল নিয়ে কোনো মজার স্ট্যাটাস আছে?

“শীতের দিনে গোসল করা, বীরত্বের কাজ”—শীতের অলসতা নিয়ে এমন অনেক মজার লাইন আমাদের ‘শীতকাল ও অলসতা’ সেকশনে রয়েছে।

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো কিছু ক্যাপশন

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

Leave a Comment